মঙ্গলবার, ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , চট্টগ্রাম ২৮.৫৩°সে

সরকারি বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় থেমে নেই জেলায় জেলায় যাত্রী পরিবহন।

 


চট্টগ্রাম থেকে: সরকারি বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় থেমে নেই জেলায় জেলায় যাত্রী পরিবহন। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারে। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্বও। কয়েকজন কাউন্টার ম্যানেজারদের যোগসাজশে প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে পনেরো শ’ থেকে দুই হাজার টাকা করে নিয়ে নির্বিঘ্নে জেলায় জেলায় ছুটে চলেছে এসব মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার। আবার এভাবে যাতায়াতে আগ্রহও রয়েছে যাত্রীদের।

ইপিজেড থানার হাসপাতাল গেইটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সন্ধ্যার পরপরই অর্ধেক শাটার নামিয়ে খুলে রাখা হয়েছে দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলো। কাউন্টারের সামনে ভিড় জমিয়েছেন যাত্রীরাও। কারও গন্তব্য বরিশাল, আবার কারও রংপুর ও খুলনা।

তেমনই একজন যাত্রী মশিউর। পেশায় তিনি বেসরকারি চাকুরিজীবী। লকডাউনে অফিস বন্ধ থাকায় তিনি যাবেন গ্রামের বাড়ি রংপুরে। তিনি প্রতিবেদককে বলেন, ‘অফিস বন্ধ থাকায় বাড়িতে চলে যাচ্ছি। সরকারি নির্দেশ মোতাবেক বাস বন্ধ থাকায় এই উপায় বেছে নিয়েছি। ভাড়া বেশি হলেও বাড়িতো যেতে পারবো।’

এসময় দেখা যায়, হঠাৎ একটি চট্ট মেট্রো-চ ১১-৮৪১৬ নম্বর প্লেটযুক্ত মাইক্রোবাস এসে দাঁড়ায় কাউন্টারের সামনে। এসে দাঁড়াতেই মাইক্রোতে উঠতে লেগে যায় যাত্রীদের হুড়োহুড়ি। ১২ জন নেয়া গেলেও কোন কোন মাইক্রোবাসে নেয়া হচ্ছে ১৪-১৫ জন। আবার তাঁদের মধ্যে কেউই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।

সূত্র জানায়, প্রতিদিন এভাবেই ৭-৮টি মাইক্রোবাসে করে যাত্রী আনা-নেওয়া করা হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়। আর এসবের পেছনেও রয়েছে একটি সিন্ডিকেট। যাঁদের মধ্যে হারুন, জুয়েল, রশীদ, শাহীন, সাইদুল ও রনি অন্যতম।

কাউন্টার মালিক জুয়েলের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবৈধ জেনেও গাড়ি ছাড়তে হয়। নাইলে আমরা খাব কি বলেন? আমিতো বেশিনা, প্রতিদিন ২ টা গাড়ি ছাড়ি। আরও অনেকেই এইভাবে গাড়ী ছাড়ে।’

এদিকে আরেক কাউন্টার ম্যানেজার হারুন মাইক্রোবাসের টিকেট বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এসব টিকেট আমি বিক্রি করিনা। এগুলা জুয়েল নামে একজন আছে। উনি জানে ওনাকে জিজ্ঞেস করেন।

প্রতিবেদকের কাছে আপনি যাত্রী ওঠাচ্ছেন এমন প্রমাণও আছে একথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

মূলত সন্ধ্যার পরপরই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব মাইক্রোবাস চলাচল করে বলে জানায় স্থানীয়রা। তবে এ ব্যাপারে প্রশাসনের যথেষ্ট তদারকি নেই বলেও অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উৎপল বড়ুয়া মুঠোফোনে বলেন এই  পরিবহনের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই, এটা ট্রাফিক বিভাগের কাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

রাস্তার দুই পাশ্বে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ অভিযান।
প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনাকে অবরুদ্ধ, হেনস্তার বিচার ও মুক্তির দাবি (সি আর এ)
আঁচলস মম কুকিং এর কর্মকর্তাদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক মেয়র নাছিরের সাথে।
রিয়াজউদ্দিন ও নিউ মার্কেট এলাকায় রাস্তার দুই পাশ্বে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ অভিযান।
আ জ ম নাছির উদ্দিনের সাথে চট্টগ্রাম মহানগর সড়ক পরিবহণ শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়।
পলাশবাড়ীতে ফেন্সিডিলসহ সুমি আটক।

আরও খবর